Web Analytics

বাংলাদেশে নবম জাতীয় পে-স্কেল ১ জুলাই ২০২৬ থেকে ১ জুলাই ২০২৭-এর মধ্যে মূল বেতনে তিন ধাপে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করা হয়েছে। সব ভাতা একযোগে কার্যকর হবে ১ জানুয়ারি ২০২৮ থেকে। মূল্যস্ফীতি, বাজেটের ওপর চাপ এবং ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধজনিত অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে এটি দুই বছরে ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের কথা বলা হয়েছে। ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের স্বল্প আয়ের কর্মচারীরা অগ্রাধিকার পাবেন।

দেশে প্রায় ১৪ লাখ সরকারি চাকরিজীবী ও প্রায় ৯ লাখ পেনশনভোগী রয়েছেন। চলতি অর্থবছরের বাজেটে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন ও ভাতার জন্য ৮৯,৮৩৬ কোটি টাকা বরাদ্দ আছে। পেনশন ও গ্র্যাচুইটিসহ এ ব্যয় ১ লাখ ৪১ হাজার কোটি টাকার বেশি। সর্বশেষ পে-স্কেল ঘোষণা হয়েছিল ২০১৫ সালে, ফলে সরকারি চাকরিজীবীরা ১১ বছর ধরে একই বেতন কাঠামোয় বেতন পাচ্ছেন।

অর্থনীতিবিদ খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, এক বছরে বাস্তবায়ন করতে হলে সরকারকে ব্যাংকঋণ বাড়াতে বা বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি কাটছাঁট করতে হতে পারে। তাঁর মতে, ৩ লাখ কোটি টাকার এডিবির প্রায় ৬০ হাজার কোটি টাকার অব্যবহৃত অংশ ব্যবহার করা সম্ভব। তিনি সতর্ক করেন, পণ্য ও সেবার সরবরাহ না বাড়িয়ে অর্থ সরবরাহ বাড়লে মূল্যস্ফীতি বাড়তে পারে; এতে ভাড়া, যাতায়াত, বিনোদন ও প্রক্রিয়াজাত খাদ্যের দাম প্রভাবিত হতে পারে।

05 Sep 26 1NOJOR.COM

মূল্যস্ফীতির শঙ্কায় ২০২৬ থেকে ধাপে ধাপে নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের পরিকল্পনা

নিউজ সোর্স

নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়ন হলে বাজারে কেমন প্রভাব পড়বে

বর্তমানে দেশে প্রায় ১৪ লাখ সরকারি চাকরিজীবী এবং প্রায় ৯ লাখ পেনশনভোগী রয়েছেন। চলতি অর্থবছরের বাজেটে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন ও ভাতা বাবদ ৮৯,৮৩৬ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। পেনশন ও গ্র্যাচুইটিসহ এই ব্যয়ের পরিমাণ ১ লাখ ৪১ হাজার কোটি টাকারও বে

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।