Web Analytics

২০২৬ সালের ১৩ মে একনেক সভায় সরকার পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প অনুমোদন করেছে। পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে। ২০২৬ সালের জুলাইয়ে কাজ শুরু হয়ে ২০৩৩ সালের জুনে শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। রাজবাড়ীর পাংশায় ২ দশমিক ১ কিলোমিটার দীর্ঘ ব্যারাজে ৭৮টি স্পিলওয়ে ও ১৮টি আন্ডার স্লুইসগেট থাকবে। প্রকল্পটি চারটি বিভাগের ২৬টি জেলায় বিস্তৃত এবং প্রায় সাত কোটি মানুষ সরাসরি উপকৃত হবে।

ভারতের ফারাক্কা বাঁধের কারণে সৃষ্ট পানির সংকট মোকাবিলায় পদ্মা ব্যারাজকে টেকসই সমাধান হিসেবে দেখা হচ্ছে। এতে ২৯০ কোটি ঘনমিটার পানি সংরক্ষণ করে একাধিক নদী পুনরুজ্জীবিত করা হবে, ২৯ লাখ হেক্টর জমি সেচের আওতায় আসবে এবং ধান ও মাছ উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে। ১১৩ মেগাওয়াট জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনসহ কৃষি, নৌপরিবহন ও পরিবেশের উন্নয়ন ঘটবে।

পুরো প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৫০ হাজার ৪৪৩ কোটি ৬৪ লাখ টাকা, যার প্রথম ধাপে ৩৪ হাজার ৪৯৭ কোটি ২৫ লাখ টাকা ব্যয় হবে এবং সম্পূর্ণ অর্থ সরকারি তহবিল থেকে আসবে।

04 Jul 26 1NOJOR.COM

পানি সংকট মোকাবিলায় পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প অনুমোদন দিল বাংলাদেশ সরকার

নিউজ সোর্স

পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণের অপরিহার্যতা | আমার দেশ

জালাল উদ্দিন ওমর
প্রকাশ : ০৪ জুলাই ২০২৬, ১০: ৩৪
গত ১৩ মে অনুষ্ঠিত একনেকের বৈঠকে সরকার পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প অনুমোদন করেছে। প্রকল্পটি দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে ঐতিহাসিক এবং যুগান্তকারী এক পদক্ষেপ। পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্পের আওতায় দেশের প্রায় ৩৭ ভাগ এলাকা

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।