Web Analytics

নিবন্ধে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে খাদ্যনিরাপত্তাকে শুধু কৃষির বিষয় হিসেবে না দেখে জাতীয় নিরাপত্তা ও ভূরাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচনা করা দরকার। খাদ্য পাওয়া গেলেই নিরাপত্তা নিশ্চিত হয় না; খাদ্য মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে থাকা, নিরাপদ ও পুষ্টিকর হওয়া এবং জলবায়ু বা আন্তর্জাতিক সংকটে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখাও জরুরি। আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বৃদ্ধি, রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা ও দেশীয় উৎপাদন ঘাটতির ঝুঁকি আগে শনাক্তে ফুড সিকিউরিটি ইন্টেলিজেন্স সিস্টেম গঠনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

ভারতের ওপর আমদানিনির্ভরতার ঝুঁকির কথা তুলে ধরে লেখাটি বলেছে, ২০২২ সাল থেকে গম, চিনি, চাল ও পেঁয়াজে দেশটির ধারাবাহিক নিষেধাজ্ঞা ও শুল্কের প্রভাবে বাংলাদেশে কিছু পণ্যের দাম ভারতের তুলনায় ১৫০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছিল। বিশ্বব্যাংকের ২০২৬ সালের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের মোট সারের চাহিদার ৮৫ শতাংশের বেশি আমদানিনির্ভর। এফএওর প্রাক্কলনে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রায় ১ কোটি ৮১ লাখ মানুষ খাদ্য অনিরাপত্তার ঝুঁকিতে থাকতে পারে।

নিবন্ধে আমদানির উৎস বৈচিত্র্যময় করা, কৌশলগত মজুত শক্তিশালী করা, দেশীয় বীজ গবেষণা ও মান নিয়ন্ত্রণ বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে। বায়োটেকনোলজি, স্যাটেলাইট, ড্রোন, সেন্সর ও AI ব্যবহার করে ফসল, দূষণ, বাজার ও সম্ভাব্য সংকট নজরদারির কথা বলা হলেও অল্প কয়েকটি বিদেশি দেশ বা প্রতিষ্ঠানের প্রযুক্তিনির্ভরতার বিরুদ্ধেও সতর্ক করা হয়েছে।

16 Oct 26 1NOJOR.COM

আমদানি ও জলবায়ু ঝুঁকিতে প্রযুক্তিনির্ভর খাদ্যনিরাপত্তা পরিকল্পনার তাগিদ

নিউজ সোর্স

ভূরাজনীতি, খাদ্যনিরাপত্তা ও প্রযুক্তি

খাদ্য আমাদের জীবনের এতটাই স্বাভাবিক অংশ যে এর ভূরাজনৈতিক গুরুত্ব আমরা অনেক সময় বুঝতে পারি না। বাজারে চাল, মাছ-মাংস, পেঁয়াজ কিংবা ভোজ্যতেল পাওয়া যাচ্ছে, সরকারি গুদামেও খাদ্য মজুত আছে, তাই আমরা মনে করি খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত। কিন্তু শুধু খাদ্য পাওয়া গে

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।