বুধবার ভারতে মুসলিম ও বিরোধী রাজনীতিকদের আপত্তির পরও লোকসভায় পাশ হয়েছে ওয়াকফ বিল। ভারতের বিরোধী দলেরই দাবি, ওয়াকফ আইনের এই সংশোধন ওয়াকফ বোর্ডের ক্ষমতাকে বেনজির ভাবে খর্ব করে দিচ্ছে। সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজুর দাবি, নতুন আইনের ফলে রাজস্ব বাড়বে। এই আইনের পক্ষে সাফাই গেয়েছে বিজেপি। আইন অনুযায়ী, ওয়াকফ বোর্ডে অমুসলিম ও শিয়াদেরকেও ওয়াকফ বোর্ডে রাখতে হবে। কোনো সরকারি সম্পত্তি যদি কেউ ওয়াকফ বলে দাবি করেন, তাহলে তার তদন্ত করতে পারবেন কালেক্টরের ওপরের ব়্যাঙ্কের কোনো অফিসার। ওয়াকফ সম্পত্তির আয় যদি ১ লাখ টাকার ওপরে হয়, তাহলে সেই আয়ের অডিট করবেন রাজ্যের অডিটররা। ওয়াকফ ঘোষণার আগে মহিলাদের উত্তরাধিকার সম্পত্তি দান করে দিতে হবে। নিষ্ঠার সঙ্গে ধর্ম পালনকারী মুসলিমরাই একমাত্র তাদের সম্পত্তি ওয়াকফ করতে পারবেন। এছাড়া কোন সম্পত্তি ওয়াকফ, কোন সম্পত্তি ওয়াকফ নয়, এইটা নির্ধারণের এখতিয়ার প্রশাসনের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
নতুন ওয়াকফ আইনে মুসলমানদের উপর নিষ্ঠুর আঘাত, নিয়ন্ত্রণ হারাবে ওয়াকফ সম্পত্তির
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।