উত্তরাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ জেলা বগুড়া ক্রমেই মাদক সরবরাহের কেন্দ্র বা ডাম্পিং পয়েন্টে পরিণত হচ্ছে বলে প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। নিয়মিত অভিযান, গ্রেপ্তার ও জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম চললেও মাদকের বিস্তার থামছে না। পুরোনো কারবারিদের পাশাপাশি নতুন যুবকেরাও এ ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ছে, ফলে তাদের শনাক্ত করা প্রশাসনের জন্য কঠিন হচ্ছে। সর্বশেষ ২০ আগস্ট মাদকবিরোধী অভিযানে এক দম্পতিকে আটক করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।
চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত বগুড়ায় ১,২৫৫টি অভিযান চালিয়ে ৫৬০ জনকে গ্রেপ্তার এবং ৪৫১টি মামলা করা হয়েছে। এ সময়ে বিপুল পরিমাণ মাদক জব্দের কথাও বলা হয়েছে। ২০২৫ সালের একই সময়ে ২,২৪২টি অভিযানে ৯৭২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। গত সাত মাসে জেলার ১৯টি মাদক নিরাময় কেন্দ্রে প্রায় ২,০০০ ব্যক্তি চিকিৎসা নিয়েছেন।
তথ্য অনুযায়ী, সীমান্তপথে ফেনসিডিল, বুপ্রেনরফিন ইনজেকশন, গাঁজা ও ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উত্তরাঞ্চলে ঢুকছে। টেকনাফ ও কক্সবাজার থেকে আসা ইয়াবার বড় চালান বগুড়ায় মজুত করে বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহের অভিযোগ রয়েছে। পাঁচটি প্রধান প্রবেশ ও বের হওয়ার স্থানে বিলবোর্ড বসানো হয়েছে এবং ১০৯টি ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌর এলাকায় সচেতনতামূলক প্রচার বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।