Web Analytics

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের চকবাজার থানার ওসি বাবুল আজাদের বিরুদ্ধে ওঠা একাধিক অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে অভ্যন্তরীণ তদন্তে। দৈনিক আমার দেশ পত্রিকায় প্রতিবেদন প্রকাশের পর শুরু হওয়া তদন্তে ঘুষ, চাঁদাবাজি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের প্রমাণ মিলেছে। সিএমপির একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ইতিমধ্যে তদন্ত প্রতিবেদনটি পুলিশ সদর দপ্তরে জমা দিয়েছেন, যেখানে শিগগিরই তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।

তদন্ত প্রতিবেদনে দেখা যায়, বাবুল আজাদের বিরুদ্ধে ১১টি অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। এর মধ্যে রয়েছে টাকা নিয়ে আসামি মুক্তি, টাকা না দিলে একাধিক মামলায় চালান, মাদক ব্যবসায়ী ও জুয়ার বোর্ড পরিচালনাকারীদের কাছ থেকে মাসোয়ারা আদায় এবং বিরোধী দলের নেতাদের হয়রানি। পুলিশ ইন্টারনাল ওভারসাইট (পিআইও) সংস্থা প্রথমে পাঁচ পৃষ্ঠার প্রতিবেদন তৈরি করে, যা পরে সিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার হুমায়ুন কবির তদন্ত করেন।

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, বাবুল আজাদ থানাকে সালিশ কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করতেন এবং কয়েকজন সহযোগী কর্মকর্তার সহায়তায় ঘুষ ও নির্যাতনের ঘটনা ঘটাতেন। সদর দপ্তর প্রতিবেদন অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে পারে।

Card image

Related Photo Cards

logo
এনিউজটির বিষয়ে যদি আরো ফটোকার্ড পাওয়া যায়, আমরা তা যুক্ত করে দেব।

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।