২০২৬ সালের ৮ মার্চ বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত হয় নারীর ক্ষমতায়ন, অধিকার ও সামাজিক ভূমিকা তুলে ধরতে। প্রবন্ধে বলা হয়েছে, স্বাধীনতার পর থেকে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও রাজনীতিতে নারীর অংশগ্রহণ বেড়েছে, তবে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কাঠামো এখনো নারীর অগ্রগতিতে বাধা সৃষ্টি করছে। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন এবং এসিড সন্ত্রাস প্রতিরোধ আইনসহ বিভিন্ন আইনি পদক্ষেপ নারীর অধিকার রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের ২০২৪ সালের প্রতিবেদনে বলা হয়, দক্ষিণ এশিয়ায় নারীর ক্ষমতায়নে বাংলাদেশ শীর্ষে থাকলেও শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কর্মক্ষেত্রে বৈষম্য রয়ে গেছে। ২০২০ সালের তথ্যানুযায়ী, নারীর শ্রমশক্তিতে অংশগ্রহণের হার ৪২.৭%, তবে অধিকাংশ নারী অনানুষ্ঠানিক খাতে কাজ করছেন। ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে ৮৫ জন নারী প্রার্থী হলেও নির্বাচিত হয়েছেন মাত্র ৭ জন। পিতৃতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থা এখনো নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন সীমিত করে রেখেছে।
প্রবন্ধে বলা হয়, নারীর সমান মজুরি, নিরাপদ কর্মপরিবেশ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষায় অংশগ্রহণ এবং মাতৃস্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন নিশ্চিত করা দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য অপরিহার্য।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।