সৌদি আরবের আনুষ্ঠানিক অনুরোধ পেলে দেশটির প্রতিরক্ষায় সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম পাঠাতে প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসিকে অনুমোদন দিয়েছে মিসরের পার্লামেন্ট। কায়রো বলেছে, এই সহায়তার লক্ষ্য সৌদি ভূখণ্ড ও আরব অঞ্চলের জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষা; ইয়েমেনে হামলা বা হুথি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে সরাসরি যুদ্ধ নয়।
সংসদের পররাষ্ট্রবিষয়ক কমিটির চেয়ারম্যান বলেছেন, এ অনুমোদনকে কোনো দেশের বিরুদ্ধে আগ্রাসন হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। মিসরের সংবিধান অনুযায়ী, দেশের বাইরে যুদ্ধ মিশনে সশস্ত্র বাহিনী পাঠাতে সংসদের দুই-তৃতীয়াংশের অনুমোদন লাগে। ৫৯৬ সদস্যের সংসদে এর জন্য অন্তত ৩৯৮ সদস্যের সমর্থন প্রয়োজন। তবে অনুমোদন পাওয়ার অর্থ অবিলম্বে সেনা মোতায়েন নয়।
ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় সৌদির বিমানবন্দর ও জ্বালানি অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং বিমান চলাচল ও আঞ্চলিক বাণিজ্যে বিঘ্ন ঘটেছে। ১৮ অক্টোবর মিসরের জাতীয় প্রতিরক্ষা পরিষদ সৌদির নিরাপত্তা ও সীমান্ত রক্ষায় সম্ভাব্য সব ধরনের সহায়তার সিদ্ধান্ত নেয়। সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক পার্টি লক্ষ্য, মেয়াদ, ব্যয় ও ঝুঁকি নিয়ে তথ্যের ঘাটতির কথা বলে ভোটদানে বিরত ছিল; আল-আজহার মধ্যস্থতার আহ্বান জানিয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।