ইরান যুদ্ধের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হয়ে ওঠা হরমুজ প্রণালি বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের জন্য বড় ঝুঁকি তৈরি করছে। সেপ্টেম্বর মাসে ইরান ছাড়া মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর এই প্রণালি দিয়ে তেল রপ্তানি গড়ে দৈনিক ১ কোটি ৮৩ লাখ ব্যারেলে পৌঁছায়। মাসটির ১৪ দিনে রপ্তানি যুদ্ধের আগের মাত্রাকেও ছাড়িয়ে যায়। সৌদি আরবের রপ্তানি বৃদ্ধি এবং কয়েকটি দেশের বিকল্প পরিবহনপথ ব্যবহার সরবরাহ সচল রাখতে সহায়তা করেছে।
তবে অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে বাণিজ্যিক ট্যাংকারে হামলার ঘটনা বেড়েছে, যা প্রণালির নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। বিশ্বের মোট তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই জলপথের ওপর নির্ভরশীল। ফলে জাহাজ মালিক ও জ্বালানি ব্যবসায়ীদের পরিবহন ব্যয় ও ঝুঁকি উভয়ই বাড়ছে। নিউইয়র্ক টাইমসের আগের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, মে মাস থেকে যুক্তরাষ্ট্র প্রণালির দক্ষিণাংশ দিয়ে ট্যাংকার চলাচলে সহায়তা করছে।
ইরানের তেল রপ্তানি বাধাগ্রস্ত হওয়া, মুদ্রার দরপতন ও যুদ্ধের অর্থনৈতিক প্রভাবে দেশটির অর্থনীতি চাপের মধ্যে রয়েছে। ৫ অক্টোবর তেলমন্ত্রী মোহসেন পাকনেজাদ পদত্যাগ করেন এবং একই দিনে রিয়ালের দর রেকর্ড পর্যায়ে নেমে যায়। যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে বিশ্ব জ্বালানি বাজারে অনিশ্চয়তা আরও বাড়তে পারে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।