বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ মাদক ও অপরাধ দমনে চার থানায় চালু করা সামারি ট্রায়াল বা সংক্ষিপ্ত বিচার পদ্ধতিতে সুফল পাওয়ার দাবি করেছে। গত দুই মাসে নগরীতে এ পদ্ধতিতে ২১২টি মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে এবং ৪৯১ জনকে গ্রেপ্তারের পর অপরাধ পর্যালোচনাসাপেক্ষে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে। বিএমপির অধীন চার থানায় পদ্ধতিটি প্রথম চালু হয় তিন মাস আগে।
পুলিশ কমিশনার কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরে ১২২টি মামলায় ১৯৮ জন গ্রেপ্তার হন। চলতি অক্টোবরে এ পর্যন্ত ৯০টি মামলায় কমপক্ষে ৩০০ জন গ্রেপ্তার হয়েছেন। চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের কর্মকর্তা কামরুল হাসান বলেন, মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে প্রায় প্রতিদিন মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধে তাৎক্ষণিক বিচার চলছে; সেপ্টেম্বরে ১৯১ মামলায় তিন শতাধিক আসামিকে সাজা দেওয়া হয়েছে।
পুলিশ ও প্রসিকিউশন সংশ্লিষ্টরা বলেন, এই পদ্ধতিতে আদালত তাৎক্ষণিকভাবে সাজা বা মুক্তির সিদ্ধান্ত দিতে পারে এবং বিচারপ্রার্থীদের দীর্ঘ অপেক্ষা কমে। কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ জানান, গ্রেপ্তারের পর সরকারিভাবে ডোপ টেস্ট করে প্রমাণসহ আসামিকে আদালতে পাঠানো হচ্ছে। নগরীতে প্রতিদিন আট থেকে ১০টি দল মাদক ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে বলে তিনি জানান।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।