Web Analytics

২০২৫–২৬ অর্থবছরের প্রথম আট মাসে রাজস্ব আদায় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৭১ হাজার কোটি টাকার বেশি কমে যাওয়ায় এবং বৈদেশিক ঋণ ছাড় প্রত্যাশার তুলনায় কম হওয়ায় ব্যয় মেটাতে হিমশিম খাচ্ছে সরকার। এ সময়ে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে এক লাখ পাঁচ হাজার ৩৫৬ কোটি টাকা ঋণ নেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে ব্যাংক খাত থেকেই এসেছে ৯৮ হাজার ৫২৬ কোটি টাকা। আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় আমদানি ব্যয় বাড়লেও দেশীয় বাজারে দাম না বাড়ানোর কারণে সরকারকে মার্চ-জুন সময়ে ডিজেল ও অকটেনে ১৬ হাজার ৪৫ কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে হচ্ছে।

রপ্তানি আয় টানা আট মাস ধরে কমছে, অর্থবছরের প্রথম নয় মাসে আয় কমেছে ৪ দশমিক ৮৫ শতাংশ। মার্চে রেমিট্যান্স রেকর্ড ৩৭৫ কোটি ডলার হলেও মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি এ প্রবাহে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সাবেক বিশ্বব্যাংক অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন বলেছেন, আয় ও ব্যয়ের ভারসাম্য রক্ষা কঠিন হয়ে পড়েছে এবং অতিরিক্ত ঋণ বা টাকা ছাপানো হলে মূল্যস্ফীতি বাড়তে পারে।

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী তিনটি বড় চ্যালেঞ্জের কথা উল্লেখ করে বলেছেন, অর্থ ছাপানো নয়, বরং বিনিয়োগ ও সম্পদের কার্যকর ব্যবহারের মাধ্যমে সংকট মোকাবিলা করা হবে। অর্থনৈতিক উপদেষ্টারা রাজস্ব আহরণ বাড়ানো ও ভর্তুকি কমানোর ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন।

Card image

Related Photo Cards

logo
এনিউজটির বিষয়ে যদি আরো ফটোকার্ড পাওয়া যায়, আমরা তা যুক্ত করে দেব।

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।