ভারতের উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও টানা বর্ষণে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। বর্তমানে নদীর পানি বিপৎসীমার ছয় সেন্টিমিটার নিচে থাকলেও নিম্নাঞ্চল এখনো জলাবদ্ধ। শিক্ষার্থীদের হাঁটুপানি মাড়িয়ে বিদ্যালয়ে যেতে হচ্ছে, এতে শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে এবং স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে। অনেক রাস্তা পানিতে তলিয়ে থাকায় কৃষক ও শ্রমজীবী মানুষও চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। কৃষিজমি পানির নিচে থাকায় ফসলের ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
নোহালী ইউনিয়নে নদীভাঙনে অন্তত আটটি বসতবাড়ি ও শত শত বিঘা আবাদি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। গঙ্গাচড়া-মহিপুর দ্বিতীয় তিস্তা সেতুর সেতু রক্ষা বাঁধের প্রায় ২০০ মিটার অংশ নদীতে হারিয়ে গেছে, ফলে রংপুর ও লালমনিরহাটের সড়ক যোগাযোগ হুমকির মুখে। প্রায় ৫০ হাজার মানুষ ভাঙনের আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন।
ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আশরাফ আলী পরিস্থিতিকে উদ্বেগজনক বলে জানিয়েছেন। উপজেলা প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ড ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রস্তুত করছে এবং ভাঙনরোধে জরুরি ব্যবস্থা নেওয়ার পরিকল্পনা করছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।