বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের স্পিনার নাঈম হাসানকে চট্টগ্রামে আটক ও হেনস্তার ঘটনাটি ঘটে একটি হোয়াটসঅ্যাপ বার্তার ভিত্তিতে। শুক্রবার রাত ১টা ২৮ মিনিটে একটি বিশেষ সংস্থার খুলশী জোনের সার্জেন্ট ওই বার্তায় দাবি করেন, একটি নির্দিষ্ট সিএনজি অটোরিকশা দিয়ে স্বর্ণ চোরাচালান হচ্ছে। পুলিশ বার্তাটি যাচাই না করেই লালখানবাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে নাঈম ও তার সঙ্গীদের আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বার্তায় স্বর্ণের অবস্থান, যাত্রীর পরিচয় বা তথ্যের সত্যতা সম্পর্কে কোনো বিস্তারিত ছিল না। খুলশী থানার দ্বিতীয় কর্মকর্তা বিষয়টি ওসিকে না জানিয়ে মোবাইল টিমকে পাঠান। থানায় আনার পর ওসি নাঈমকে চিনে ফেলেন এবং কোনো অবৈধ কিছু না পাওয়ায় তাকে মুক্তি দেন। পরদিন তার ব্যাগ তল্লাশি করেও কোনো স্বর্ণ বা নিষিদ্ধ বস্তু পাওয়া যায়নি।
পরে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের উত্তর বিভাগের উপকমিশনার প্রাথমিক তদন্ত করেন এবং দায়িত্ব পালনে ভুলের প্রমাণ পাওয়ায় সংশ্লিষ্ট এসআইকে ক্লোজ করা হয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।