মালয়েশিয়া থেকে প্রত্যাবাসিত ১ হাজার ৪৭৬ জন মিয়ানমারের নাগরিককে বহনকারী তিনটি নৌযান বৃহস্পতিবার মিয়ানমারের জলসীমায় প্রবেশ করেছে বলে রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম গ্লোবাল নিউ লাইট অব মিয়ানমার জানিয়েছে। মালয়েশিয়ার অভিবাসন হেফাজত কেন্দ্রে আটক থাকা এসব ব্যক্তি আগামী কয়েকদিনের মধ্যে বাণিজ্যিক রাজধানী ইয়াঙ্গুনে পৌঁছাবেন।
অবৈধভাবে অবস্থান ও অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা ভোগের পর তাদের দেশে পাঠানো হচ্ছে। মিয়ানমারের চলমান গৃহযুদ্ধের মধ্যে ফেরত আসা ব্যক্তিদের নিরাপত্তা নিয়ে জাতিসংঘ ও মানবাধিকার সংগঠনগুলো উদ্বেগ জানিয়েছে। মালয়েশিয়া বলেছে, পুরো প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়াই স্বেচ্ছামূলক। জাতিসংঘের মিয়ানমারবিষয়ক মানবাধিকার বিশেষ প্রতিবেদক কেলি ই. কারি প্রক্রিয়াটি বন্ধ করে জাতিসংঘের সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন।
রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, যাত্রাপথে নৌবাহিনী ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ চিকিৎসা, খাবার ও পোশাকের ব্যবস্থা করেছে। ইয়াঙ্গুন বন্দরে স্বজন ও স্থানীয় কর্মকর্তাদের উপস্থিত থাকার কথা এবং পরে তাদের নিজ নিজ এলাকায় পৌঁছে দেওয়া ও পুনর্বাসনে সহায়তার পরিকল্পনা রয়েছে। ফেরত পাঠানোদের মধ্যে রোহিঙ্গা মুসলিম কেউ আছেন কি না তা স্পষ্ট নয়। সর্বোচ্চ ৫ হাজার জনকে ফেরানোর পরিকল্পনায় এটি প্রথম প্রত্যাবাসন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।