Web Analytics

সরকারের প্রথম ১৮০ দিনের অগ্রাধিকারভিত্তিক কর্মপরিকল্পনায় কৃষি মন্ত্রণালয় কৃষক কার্ড, খাল খনন ও পুনঃখনন এবং বৃক্ষরোপণ—এই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতির লক্ষ্য পূরণের দাবি করেছে। ২০ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রায় সাড়ে ১২ লাখ কৃষকের ডাটাবেজ তৈরি হয়েছে এবং প্রাক-পাইলটিং পর্যায়ে ২০ হাজার ৭৪৮ জনকে কৃষক কার্ড দেওয়া হয়েছে। আগামী তিন বছরে প্রায় আড়াই কোটি কৃষককে কর্মসূচির আওতায় আনার লক্ষ্য রয়েছে।

১৮০ দিনের পরিকল্পনায় ৪৭৫ কিলোমিটার খাল খনন ও পুনঃখননের লক্ষ্য থাকলেও প্রায় ৪৮৩ কিলোমিটারের কাজ শেষ হয়েছে বলে মন্ত্রণালয় জানিয়েছে। বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন বিভিন্ন এলাকায় কাজ বাস্তবায়ন করছে। মন্ত্রণালয়ের মতে, এতে সেচের পানি সরবরাহ, পানি নিষ্কাশন ও জলাবদ্ধতা পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে। ছয় মাসে ২৫ লাখ গাছের চারা রোপণের লক্ষ্যও পূরণ হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

কৃষি সচিব সেলিম খান বলেন, কৃষক কার্ড, বৃক্ষরোপণ ও খাল খননে নির্ধারিত লক্ষ্য অর্জিত হয়েছে। মন্ত্রণালয় হাওড়াঞ্চলে ব্রি ধান-১১৮ সম্প্রসারণ, সার নীতিমালা সংশোধন এবং ২০২৯ সালের মধ্যে পাটবীজে স্বয়ংসম্পূর্ণ হওয়ার লক্ষ্যও তুলে ধরেছে। দীর্ঘমেয়াদে প্রকৃত কৃষকের কাছে সুবিধা পৌঁছানো, খাল কার্যকর রাখা ও চারার পরিচর্যা নিশ্চিত করাকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

Card image

Related Photo Cards

logo
এনিউজটির বিষয়ে যদি আরো ফটোকার্ড পাওয়া যায়, আমরা তা যুক্ত করে দেব।

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।