বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে কারা মনোনয়ন পাবেন, তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর অর্ধশতাধিক নারী নেত্রী সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন। দলীয় সূত্র জানায়, সাম্প্রতিক সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার পর বিএনপি সংরক্ষিত নারী আসন বণ্টনকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে। নয়াপল্টন ও গুলশানের দলীয় কার্যালয়ে নেত্রীদের উপস্থিতি বেড়েছে, যাতে তারা হাইকমান্ডের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারেন।
নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, বিএনপি জোট ৩৫টি এবং জামায়াত জোট ১৩টি সংরক্ষিত নারী আসন পেতে পারে। সংসদ সচিবালয় মার্চের প্রথম সপ্তাহে অধিবেশন শুরু হলে ভোটার তালিকা প্রস্তুত করে কমিশনে পাঠাবে, এরপর তফসিল ঘোষণা হবে। কমিশনের পরিকল্পনা রয়েছে ঈদের আগেই নির্বাচন সম্পন্ন করার। বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন রাজপথে সক্রিয়, কারাবরণকারী, আন্দোলনে নেতৃত্বদানকারী ও তৃণমূল সংগঠন শক্তিশালী করতে ভূমিকা রাখা নেত্রীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হতে পারে। পাশাপাশি পেশাজীবী, শিক্ষাবিদ ও সাবেক ছাত্রনেত্রীদেরও বিবেচনায় রাখা হবে।
প্রাথমিকভাবে একটি বড় তালিকা তৈরি করে তা থেকে সংক্ষিপ্ত তালিকা করা হবে এবং পরে সংসদীয় বোর্ডের বৈঠকে চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হবে। দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের অনুমোদন ছাড়া কোনো তালিকা চূড়ান্ত হবে না।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।