Web Analytics

মার্কিন গণমাধ্যমে প্রকাশিত পেন্টাগনের ফাঁস হওয়া তথ্য অনুযায়ী, ইরানে চলমান হামলা ১০ দিনের বেশি স্থায়ী হলে যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেপণাস্ত্রের মজুদ কমে যেতে পারে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের ওপর যৌথ হামলা শুরু করে যখন তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ও আঞ্চলিক কার্যক্রম নিয়ে কূটনৈতিক আলোচনা চলছিল। ইরান পাল্টা হামলায় ইসরায়েলসহ বাহরাইন, সৌদি আরব, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইরাকে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন নিক্ষেপ করে। পেন্টাগন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সতর্ক করে জানায়, দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধ উচ্চ ব্যয়ের পাশাপাশি অস্ত্র পুনরায় সরবরাহে বড় ঝুঁকি তৈরি করবে। তবে ট্রাম্প দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের পর্যাপ্ত অস্ত্র মজুদ রয়েছে।

আল জাজিরাকে বিশ্লেষকরা জানান, সংঘাত দীর্ঘ হলে থাড, প্যাট্রিয়ট ও এসএম‑৩ ধরনের প্রতিরোধী ক্ষেপণাস্ত্র দ্রুত ফুরিয়ে যেতে পারে। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানায়, তারা ২০টিরও বেশি অস্ত্র ব্যবস্থা ব্যবহার করছে, যার মধ্যে উন্নত বোমারু বিমান, ড্রোন ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, এসব অস্ত্র তৈরি করতে মাস লাগে এবং এগুলো দীর্ঘ যুদ্ধের জন্য নয়। পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেন, ইরান মাসে শতাধিক আক্রমণাত্মক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করতে পারে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্র মাসে মাত্র কয়েকটি প্রতিরোধী ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করতে পারে।

প্রতিবেদনগুলোতে আরও বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ইতিমধ্যে কিছু জাহাজভিত্তিক ক্ষেপণাস্ত্র শেষ করে ফেলেছে এবং বন্ধুত্বপূর্ণ আগুনে বিমান হারিয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়েই যুদ্ধের ব্যয় এক বিলিয়ন ডলারের বেশি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

Card image

Related Photo Cards

logo
এনিউজটির বিষয়ে যদি আরো ফটোকার্ড পাওয়া যায়, আমরা তা যুক্ত করে দেব।

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।