Web Analytics

ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাত শেষ করতে ট্রাম্প প্রশাসন সফল হলে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ও গোয়েন্দা উপস্থিতি কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হতে পারে। সিএনএনকে ছয়টি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, যুদ্ধ-পরবর্তী আঞ্চলিক অবস্থান নিয়ে মার্কিন সামরিক বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থার বিভিন্ন পর্যায়ে নীরবে সম্ভাব্য বিকল্প আলোচনা চলছে।

দুই দশকের বেশি সময় ধরে মার্কিন প্রশাসন এ অঞ্চলে সামরিক সম্পৃক্ততা কমানোর প্রতিশ্রুতি দিলেও যুদ্ধ, সংঘাত ও ভূরাজনৈতিক হিসাবের কারণে তা পুরোপুরি বাস্তবায়িত হয়নি। ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের হামলার পর যুক্তরাষ্ট্র ইরাক, আফগানিস্তান, সিরিয়া, ইয়েমেন, লিবিয়া ও ইরানকে ঘিরে বিস্তৃত সামরিক ও গোয়েন্দা অবকাঠামো গড়ে তোলে। সাম্প্রতিক সংঘাতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্যবস্তু হয়েছে এবং ১৮ মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন।

বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে প্রায় ৫০ হাজার মার্কিন সেনা, দুটি বিমানবাহী রণতরী এবং এক ডজনের বেশি গাইডেড-মিসাইল ডেস্ট্রয়ার রয়েছে। পেন্টাগন অবশিষ্ট সেনাদের নিরাপত্তা জোরদার ও কিছু স্থাপনা ভূগর্ভে সরানোর বিষয়টি বিবেচনা করছে। শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তারা ট্রাম্পকে সংঘাতে ঘোষিত লক্ষ্য অর্জনের সম্ভাবনা কম বলে সতর্ক করেছেন; ট্রাম্প এখন তেহরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ বাড়ানোর কৌশলে জোর দিচ্ছেন।

Card image

Related Photo Cards

logo
এনিউজটির বিষয়ে যদি আরো ফটোকার্ড পাওয়া যায়, আমরা তা যুক্ত করে দেব।

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।