আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টি সাত মাসে দুই দফা জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোকে সরকারের আর্থিক দেউলিয়াত্বের বহিঃপ্রকাশ বলে দাবি করেছে। বৃহস্পতিবার ঢাকার বিজয়নগরে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, ডিজেল, কেরোসিন, পেট্রোল ও অকটেনের দাম লিটারে ২০ টাকা করে বাড়ানো হয়েছে। এতে ডিজেলের দাম ১১৫ টাকা থেকে ১৩৫ টাকায় উঠেছে।
মঞ্জু আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বৃদ্ধি, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত এবং আমদানি ও পরিবহন ব্যয় বাড়ার বাস্তবতা স্বীকার করেন। তবে তিনি বলেন, এই চাপ একবারে জনগণের ওপর না দিয়ে ধাপে ধাপে ও ভারসাম্যপূর্ণভাবে সমন্বয় করা যেত। তাঁর মতে, ডিজেলের দাম বাড়ায় সেচ পাম্প, পাওয়ার টিলার ও হারভেস্টার চালানোর খরচ বাড়বে এবং বোরো মৌসুমের আগে কৃষি উৎপাদন ও পরিবহন ব্যয় বাড়তে পারে। তিনি আগস্টে মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ২৬ শতাংশ ও মজুরি বৃদ্ধির হার ৮ দশমিক ০৫ শতাংশ উল্লেখ করেন।
দলের ছায়া সরকারবিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার আব্বাস ইসলাম খান নোমান বলেন, মার্চ থেকে আগস্টে বিপিসির প্রায় ২২ হাজার ৮৭৬ কোটি টাকা লোকসানের কথা সরকার জানিয়েছে। এবি পার্টি পূর্ণাঙ্গ ব্যয় প্রকাশ, ফর্মুলাভিত্তিক মূল্য নির্ধারণ, লক্ষ্যভিত্তিক ডিজেল সহায়তা, স্বাধীন অডিট, পাচার রোধ, জরুরি জ্বালানি তহবিল এবং দীর্ঘমেয়াদে দেশীয় ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগের দাবি জানিয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।