ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ভয়াবহ সহিংসতায় রূপ নিয়েছে, ফলে দেশজুড়ে হাসপাতালগুলোতে আহত ও নিহতদের ভিড়ে চিকিৎসকরা হিমশিম খাচ্ছেন। বিবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কয়েকজন চিকিৎসক জানিয়েছেন, গুলিবিদ্ধ তরুণদের সংখ্যা এত বেশি যে হাসপাতালের মর্গে জায়গা ফুরিয়ে গেছে। রাশতের একটি হাসপাতালে এক রাতে ৭০ জনের মরদেহ আনা হয়। অধিকাংশ নিহতের বয়স ২০ থেকে ২৫ বছরের মধ্যে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে ইন্টারনেট সংযোগ প্রায় বিচ্ছিন্ন থাকায় তথ্য যাচাই কঠিন হয়ে পড়েছে।
দুই সপ্তাহ আগে অর্থনৈতিক সংকট, মুদ্রার অবমূল্যায়ন ও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে শুরু হওয়া শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ এখন সারাদেশে ছড়িয়ে পড়েছে। নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে বহু মানুষ নিহত ও আহত হয়েছেন। ইরান সরকার যুক্তরাষ্ট্রকে সহিংসতা উসকে দেওয়ার অভিযোগ করেছে, আর সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি বলেছেন, তারা পিছু হটবেন না।
যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও জাতিসংঘ ইরানে সহিংস দমন-পীড়নের নিন্দা জানিয়ে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও শান্তিপূর্ণ সমাবেশের অধিকার রক্ষার আহ্বান জানিয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।