ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ ফ্রান্সের চলমান বিক্ষোভ ও সহিংসতা নিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পসহ বিদেশি নেতাদের মন্তব্যকে অগ্রহণযোগ্য ও বোকামিপূর্ণ বলেছেন। কাতারের দোহায় বুধবার সাংবাদিকদের তিনি বলেন, কিছু ব্যক্তি তথ্য নিয়ে কারসাজি করে রাজনৈতিক প্রচারণায় ফ্রান্সকে ব্যবহার করছেন। তিনি আরও বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তৈরি এমন ছবিও ছড়ানো হচ্ছে, যেখানে ফ্রান্সে বাস্তবে না ঘটা ঘটনার দৃশ্য দেখানো হয়েছে।
ম্যাক্রোঁ বলেন, ফ্রান্স অভিবাসী ও ইসলামপন্থিদের দখলে চলে গেছে—এমন দাবি সম্পূর্ণ মিথ্যা। ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ফ্রান্সকে চরমপন্থি ইসলামের আগ্রাসনের শিকার বললেও বিশ্লেষকেরা বিক্ষোভের মূল কারণ হিসেবে অভিবাসীদের চিহ্নিত করার দাবি নাকচ করেছেন। জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদে শুরু হওয়া আন্দোলন গত শনিবার সহিংস হয়ে ওঠে; প্যারিস, মার্সেই, লিয়ঁ ও লিমোজে ভাঙচুর হয় এবং লিমোজ সিটি হলে অগ্নিসংযোগে ভবনের একাংশ ধ্বংস হয়।
নতুন বিক্ষোভের আশঙ্কায় বৃহস্পতিবার প্যারিসের কয়েকটি এলাকায় সমাবেশ নিষিদ্ধ করার কথা জানিয়েছে পুলিশ। শনিবার শহরের কেন্দ্রগুলোতে বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে ব্যাপক নিরাপত্তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ম্যাক্রোঁ; পুলিশ ছাড়াও সেনাসদস্য মোতায়েন হতে পারে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। প্রধান শ্রমিক সংগঠনগুলো ৫ নভেম্বর দেশজুড়ে আন্দোলনের ডাক দিয়েছে। তবে ম্যাক্রোঁ জরুরি অবস্থা জারির প্রয়োজন নেই বলে দাবি করেছেন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।