২৭ জুলাই ২০২৬ প্রকাশিত এক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, ভারতের ১৯৯৭ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে জন্ম নেওয়া জেন-জি প্রজন্ম জনসংখ্যার এক-চতুর্থাংশের বেশি, প্রায় ৩৭ কোটি। প্রযুক্তিদক্ষ, তথ্যসচেতন ও সামাজিক মাধ্যমে সক্রিয় এই তরুণদের মধ্যে দুর্নীতি, বৈষম্য ও রাষ্ট্রীয় সহিংসতা নিয়ে সচেতনতা থাকলেও তারা দীর্ঘদিন বড় জাতীয় রাজপথের আন্দোলনে অনুপস্থিত বলে লেখক উল্লেখ করেছেন।
লেখাটিতে স্বাধীনতা সংগ্রাম, জয়প্রকাশ নারায়ণের আন্দোলন, আন্না হাজারের দুর্নীতিবিরোধী প্রচার এবং ২০১২ সালের দিল্লি গণধর্ষণ-পরবর্তী প্রতিবাদে তরুণদের ভূমিকার কথা তুলে ধরা হয়েছে। ২০১৯ সালের নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনবিরোধী আন্দোলনে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো প্রতিবাদের কেন্দ্র হলেও পুলিশি দমন, রাষ্ট্রবিরোধী তকমা ও ছাত্রনেতাদের দীর্ঘ কারাবাস এর বিকাশ থামিয়ে দেয় বলে দাবি করা হয়েছে।
বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ২৮ রাজ্য ও আট ইউনিয়ন টেরিটরির ভাষাগত, সামাজিক ও রাজনৈতিক বিভাজন জাতীয় আন্দোলনের বাধা। ভয়, ইউএপিএ, ডিজিটাল নজরদারি, ক্যাম্পাসে বিধিনিষেধ, বেকারত্ব ও চুক্তিভিত্তিক কাজও তরুণদের নিরুৎসাহিত করছে। ২০২৪ সালের নির্বাচনে ১৮ বছর বয়সি নতুন ভোটারের ৩৮ শতাংশ নিবন্ধিত এবং প্রায় ৩০ শতাংশ তরুণ রাজনীতি থেকে মুখ ফিরিয়েছে বলে লেখাটি জানায়।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।