টেনেসি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রাণঘাতী ইনজেকশনের দুই দফা প্রয়োগের পরও ক্রিস্টা পাইক জীবিত থাকায় তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। ৫০ বছর বয়সী পাইককে ১৮ বছর বয়সে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের দায়ে বুধবার মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার কথা ছিল। বুধবার রাতে তার আইনজীবীরা বলেন, তাকে কারাগার থেকে অ্যাম্বুলেন্সে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে, তবে তার শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে তারা কিছু জানেননি।
আদালতে দেওয়া নথিতে পাইকের আইনজীবীরা বলেন, তাকে পেন্টোবারবিটালের দুই ডোজ দেওয়া হয়েছিল। কার্যকরের সময় উপস্থিত সাংবাদিকদের বর্ণনায় নাক ডাকা, জোরে শ্বাস ছাড়ার এবং হাঁপানোর মতো শব্দ শোনা যায়। তিনি ব্যথার অভিযোগও করেন। এনবিসি নিউজের তথ্য অনুযায়ী, বারবার পা নাড়াতে গিয়ে তার ওপর দেওয়া চাদর সরে যায়।
গভর্নর বিল লি ঘটনা কীভাবে ঘটেছে তা নির্ধারণে তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ পর্যালোচনার নির্দেশ দিয়েছেন এবং এ বছরের নির্ধারিত বাকি মৃত্যুদণ্ড কার্যকর না করার কথা বলেছেন। কারা বিভাগ বলেছে, তারা অনুমোদিত প্রোটোকলের প্রতিটি ধাপ অনুসরণ করেছে। প্রথম দফার পর বন্দি জীবিত থাকলে দ্বিতীয় দফার নির্দেশনা থাকলেও, দ্বিতীয় দফার পরও জীবিত থাকলে কী করতে হবে তা স্পষ্ট নয়।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।