Web Analytics

টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি) অর্জনে ২০২৬-২৭ থেকে ২০২৯-৩০ অর্থবছর পর্যন্ত বাংলাদেশের অতিরিক্ত প্রায় ৪২১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থায়ন প্রয়োজন হবে। সরকারের হালনাগাদকৃত এসডিজি অর্থায়ন কৌশল পর্যালোচনায় এ হিসাব উঠে এসেছে। রোববার রাজধানীতে ডেভেলপমেন্ট ফাইন্যান্স অ্যাসেসমেন্ট (ডিএফএ) ও এসডিজি অর্থায়নবিষয়ক জাতীয় ভ্যালিডেশন কর্মশালায় তথ্যটি জানানো হয়।

অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) ইউএনডিপি এবং বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কের কার্যালয়ের সহযোগিতায় কর্মশালাটি আয়োজন করে। সেখানে ডিএফএ প্রতিবেদনের ফলাফল ও হালনাগাদকৃত অর্থায়ন কৌশল বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়। ইআরডি সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের ছিদ্দিকী বলেন, অর্থায়ন ঘাটতি, সীমিত সময় ও অনিশ্চিত বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে এসডিজি বাস্তবায়নের অবশিষ্ট সময় চ্যালেঞ্জিং।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. সেলিম রায়হান বলেন, প্রয়োজনীয় অর্থের সিংহভাগ দেশীয় সরকারি ও বেসরকারি অর্থায়ন, জলবায়ু অর্থায়ন এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব থেকে সংগ্রহ করতে হবে। জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী ক্যারল ফ্লোর-স্মেরজনিয়াক কর-জিডিপি অনুপাত বাড়ানো ও বেসরকারি খাতকে এসডিজিসংগত বিনিয়োগে উৎসাহিত করার কথা বলেন। কর্মশালার মতামতের ভিত্তিতে ডিএফএ ও এসডিজি অর্থায়ন কৌশল চূড়ান্ত করা হবে।

Card image

Related Photo Cards

logo
এনিউজটির বিষয়ে যদি আরো ফটোকার্ড পাওয়া যায়, আমরা তা যুক্ত করে দেব।

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।