২০০২ সালে বাংলাদেশে প্লাস্টিক ব্যাগ নিষিদ্ধ করা হলেও দুই দশক পরও এর ব্যবহার বন্ধ হয়নি। আইন থাকলেও প্রয়োগ দুর্বল, আর সস্তা ও সহজলভ্য প্লাস্টিকের বিকল্প না থাকায় বাজারে এর আধিপত্য অটুট রয়েছে। বর্ষার সময় ড্রেন বন্ধ হয়ে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হলে এই সমস্যার ভয়াবহতা স্পষ্ট হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্লাস্টিক এখন একটি বড় শিল্পে পরিণত হয়েছে, যেখানে পরিবেশবান্ধব বিকল্প পণ্যগুলো প্রতিযোগিতায় টিকতে পারছে না। স্থানীয় উদ্যোক্তা ও কারিগররা কাঁচামাল ও বাজারের অভাবে পিছিয়ে পড়ছেন। ফলে দোকানের তাক ভরে থাকে প্লাস্টিক পণ্যে, আর বিকল্পগুলো পড়ে থাকে অবহেলায়।
লেখক মনে করেন, এই সংকট মোকাবিলায় প্রয়োজন বৈশ্বিক সহযোগিতা ও বাধ্যতামূলক আন্তর্জাতিক চুক্তি, যাতে প্লাস্টিক উৎপাদন কমানো ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা উন্নত করা যায়। পাশাপাশি, টেকসই বিকল্পকে সাশ্রয়ী করতে বিনিয়োগ ও গবেষণার ওপর জোর দেওয়া জরুরি। সরকারের পাশাপাশি নাগরিকদের আচরণগত পরিবর্তনই এই লড়াইয়ের মূল চাবিকাঠি।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।