ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র চলতি সপ্তাহের শেষ দিকে ওমানের মাসকাটে পরমাণু আলোচনায় বসতে সম্মত হয়েছে। বুধবার দুই পক্ষ বৈঠকের বিষয়টি নিশ্চিত করে, যদিও এর আগে আলোচনার স্থান ও বিষয়বস্তু নিয়ে মতভেদের কারণে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছিল। বৈঠকের আগেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে সতর্ক করে বলেন, তাঁর এখন খুবই চিন্তিত হওয়া উচিত। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানান, শুক্রবার বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে এবং তিনি ওমান সরকারের সহায়তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। হোয়াইট হাউসও বৈঠকের খবর নিশ্চিত করেছে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, তুরস্কে বৈঠকের সম্ভাবনা থাকলেও ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ইস্যু আলোচনায় অন্তর্ভুক্ত না করার অবস্থানের কারণে যুক্তরাষ্ট্র একপর্যায়ে ঝুঁকি পুনর্বিবেচনা করেছিল। এনবিসি নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ইরান নতুন পারমাণবিক কেন্দ্র গড়ার পরিকল্পনা করছিল এবং এমন কিছু করলে তাদের জন্য খারাপ পরিণতি অপেক্ষা করছে। ইতোমধ্যে মার্কিন নৌবহর ‘আর্মাডা’ অঞ্চলটিতে মোতায়েন করা হয়েছে, যা ইরানের একটি ড্রোন ভূপাতিত করেছে।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেন, আলোচনায় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি, আঞ্চলিক সশস্ত্র গোষ্ঠীকে সমর্থন এবং মানবাধিকার ইস্যু অন্তর্ভুক্ত করা জরুরি। সাম্প্রতিক অভ্যন্তরীণ বিক্ষোভ ও আঞ্চলিক চাপের মধ্যেও মাসকাট বৈঠককে দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।