নেপালে ভয়াবহ বন্যার পর নদীতে ভেসে আসা লাশ সংরক্ষণ ও পরিচয় শনাক্ত করতে সংকটে পড়েছে কর্তৃপক্ষ। ভোটেকোশি নদীর বন্যায় রসুয়া ও নুয়াকোট থেকে ভেসে যাওয়া লাশ চিতওয়ান, তনহুন ও নবলপরাসীসহ বিভিন্ন জেলায় উদ্ধার হচ্ছে। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টা পর্যন্ত চিতওয়ানের ত্রিশূলী ও নারায়ণী নদীর ফিশলিং থেকে গোলাঘাট অংশে ১৩৭টি লাশ উদ্ধার হয়েছে এবং অভিযান চলছিল।
নুয়াকোট, ধাদিং ও নবলপরাসীর হাসপাতাল মর্গে জায়গা শেষ হয়ে গেছে; পোখরাতেও একই চাপ তৈরি হয়েছে। দুই দিনে তনহুন, গোরখা, পূর্ব নবলপরাসী ও ধাদিং থেকে ৯৩টি লাশ পোখরায় আনা হয়। চিতওয়ানের হাসপাতালগুলোতে একসঙ্গে ৩০ থেকে ৫০টি লাশ রাখা যায়। পরিস্থিতি সামলাতে ভরতপুরে পরিত্যক্ত একটি ভবনকে প্রায় ২৫০ লাশ রাখার অস্থায়ী মর্গে রূপান্তর করা হচ্ছে; সেখানে এসি ও ড্রাই আইস ব্যবহার করা হবে।
পরিচয়হীন লাশ দাফনের আগে পুলিশ ছবি, আঙুলের ছাপ, ময়নাতদন্তের তথ্য ও ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করছে। চেনা যায় এমন মুখের ছবি স্বজনদের শনাক্তের জন্য প্রকাশ করা হচ্ছে। অজ্ঞাত লাশের জন্য নিরাপদ সমাধিস্থল নির্ধারণে স্থানীয় সরকারের সঙ্গে সমন্বয় চলছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগামী এক থেকে দুই সপ্তাহে যেসব লাশ শনাক্ত করা যাবে না, সেগুলো দাফন করা হবে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।