আমার দেশের প্রকাশিত একটি স্মৃতিচারণমূলক লেখায় বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবন, ব্যক্তিগত বেদনা এবং ২০২৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর তাঁর মৃত্যুর বিবরণ তুলে ধরা হয়েছে। লেখাটি বলছে, তিনি ১৯৮২ সালের ৩ জানুয়ারি বিএনপিতে যোগ দেন, ১৯৮৩ সালের মার্চে সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান হন এবং ১৯৮৪ সালের ১০ মে দলের চেয়ারপারসন নির্বাচিত হন। ১৯৯১ সালে তিনি বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন।
লেখায় তাঁকে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ নেতা হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ১৯৮৩ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে তিনি আটক হন এবং ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর এরশাদ সরকারের পতনের আন্দোলনে তাঁর ভূমিকার কারণে ‘আপসহীন নেত্রী’ পরিচিতি পান। লেখাটি তাঁর সরকারের শিক্ষা, নারীশিক্ষা, মেয়েদের উপবৃত্তি, নারী ক্ষমতায়ন, সামাজিক নিরাপত্তা, কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক সম্প্রসারণে ভূমিকার কথাও উল্লেখ করেছে।
লেখা অনুযায়ী, ২০০৭ সালের রাজনৈতিক সংকটে তিনি দেশ ছাড়েননি এবং পরে তাঁসহ তাঁর দুই সন্তান গ্রেপ্তার হন। ২০১৮ সালে সাজা পেয়ে কারাবন্দি হওয়ার পর ২০২০ সালে শর্তসাপেক্ষে মুক্তি পান; ২০২৪ সালে রাষ্ট্রপতির আদেশে তিনি পুরোপুরি মুক্ত হন। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থেকে তাঁর মৃত্যু হয়। ৩১ ডিসেম্বর তাঁর জানাজায় লাখো মানুষের অংশগ্রহণের কথাও লেখায় বলা হয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।