শনিবার চীন ও রাশিয়ার ১০টিরও বেশি সামরিক বিমান দক্ষিণ কোরিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষা শনাক্তকরণ অঞ্চলে (কাডিজ) প্রবেশ করে। এ ঘটনায় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে দক্ষিণ কোরিয়া যুদ্ধবিমান পাঠায় বলে জানিয়েছে দেশটির জয়েন্ট চিফস অব স্টাফ। বিমানগুলো পূর্ব সাগর ও দক্ষিণ সাগরের ওপর দিয়ে উড়ে পরে অঞ্চলটি ত্যাগ করে। তবে কোনো বিমানই দক্ষিণ কোরিয়ার সার্বভৌম আকাশসীমা লঙ্ঘন করেনি।
আকাশ প্রতিরক্ষা শনাক্তকরণ অঞ্চল কোনো দেশের সার্বভৌম আকাশসীমা নয়, বরং এটি একটি নজরদারি এলাকা যেখানে নিরাপত্তার কারণে আগত বিমানগুলো শনাক্ত করা হয়। সাধারণত বিদেশি সামরিক বিমান এ ধরনের অঞ্চলে প্রবেশের আগে সংশ্লিষ্ট দেশকে অবহিত করে, যদিও এটি আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক নয়। চীন ও রাশিয়া এ ঘটনায় তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করেনি।
ঘটনাটি কোরীয় উপদ্বীপের আশপাশে চীন ও রাশিয়ার সামরিক কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা নির্দেশ করে, যদিও কোনো সরাসরি সংঘাত বা আকাশসীমা লঙ্ঘন ঘটেনি।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।