Web Analytics

মালয়েশিয়া থেকে প্রায় দেড় হাজার মিয়ানমারের নাগরিক যুদ্ধবিধ্বস্ত নিজ দেশে ফিরেছেন। অধিকার ও মানবাধিকার সংস্থাগুলো বলছে, অস্বচ্ছ এই প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হওয়ার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এএফপির তথ্য অনুযায়ী, রোববার মিয়ানমার নৌবাহিনীর জাহাজে তারা থানলিন নৌঘাঁটিতে পৌঁছান এবং পরে অভিবাসন ও স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য একটি বৌদ্ধ মঠের হলঘরে নেওয়া হয়।

ফেরত আসা ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন আটককেন্দ্রে বন্দি ছিলেন এবং তাদের ভবিষ্যৎ অত্যন্ত অনিশ্চিত বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। অনেকেই বন্দিদশার নানা কষ্টের কথা জানিয়েছেন। স্বজনদের সঙ্গেও অনেকের তাৎক্ষণিক দেখা হয়নি। জাতিসংঘের মতে, গৃহযুদ্ধে জর্জরিত মিয়ানমারের বর্তমান পরিস্থিতিতে নিরাপদ প্রত্যাবাসন অসম্ভব।

মালয়েশিয়ার দাবি, অভিবাসীরা স্বেচ্ছায় ফিরেছেন। তবে মানবাধিকার সংস্থাগুলোর অভিযোগ, বন্দিদের সামনে অন্য কোনো বিকল্প ছিল না; ফিরিয়ে দেওয়া তরুণদের মধ্যে জোরপূর্বক সামরিক বাহিনীতে নিয়োগের ঝুঁকিও রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের ৫ হাজার মিয়ানমার অভিবাসী ফেরত পাঠানোর পরিকল্পনার এটি প্রথম ধাপ। এ দলে রোহিঙ্গা ছিলেন কি না, সে বিষয়ে কুয়ালালামপুর স্পষ্ট তথ্য দেয়নি।

Card image

Related Photo Cards

logo
এনিউজটির বিষয়ে যদি আরো ফটোকার্ড পাওয়া যায়, আমরা তা যুক্ত করে দেব।

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।