২০২৬ সালের ঈদযাত্রা শুরুর দিকে স্বস্তিদায়ক হলেও শেষদিকে সড়ক, রেল ও নৌপথে চরম ভোগান্তি, দুর্ঘটনা ও হতাহতের ঘটনা বেড়েছে। বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির তথ্য অনুযায়ী, ১৫ থেকে ২২ মার্চ পর্যন্ত ২০১টি সড়ক দুর্ঘটনায় ২১৬ জন নিহত ও ৪২১ জন আহত হয়েছেন। একই সময়ে রেলপথে সাতটি দুর্ঘটনায় ৪২ জন এবং নৌপথে সাতটি দুর্ঘটনায় ৫৬ জন প্রাণ হারিয়েছেন। রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের হিসাব অনুযায়ী, ১৭ থেকে ২৪ মার্চ পর্যন্ত ২৬২টি সড়ক দুর্ঘটনায় ১৯২ জন নিহত হয়েছেন। সংগঠনটি জানায়, এবারের ঈদে প্রায় ১৪৮ কোটি টাকা অতিরিক্ত ভাড়া আদায় হয়েছে।
সরকারি মন্ত্রীরা যাত্রা স্বস্তিদায়ক দাবি করলেও যাত্রী সংগঠন ও বিরোধী দলগুলো অব্যবস্থাপনা ও অবহেলার অভিযোগ তুলেছে। যাত্রী কল্যাণ সমিতি অভিযোগ করেছে, মন্ত্রীদের বক্তব্য পরিবহন মালিকদের আশকারা দিয়েছে, ফলে ভাড়া নৈরাজ্য ও দুর্ঘটনা বেড়েছে। জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সরকারের ব্যর্থতা ও দায়িত্বহীনতাকে দায়ী করেছে।
পর্যবেক্ষকরা জানান, আগের বছরের তুলনায় এবার সমন্বয়ের অভাব, জ্বালানি সংকট ও দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া ঈদযাত্রাকে আরও দুর্বিষহ করেছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।