দীর্ঘ কূটনৈতিক প্রচেষ্টার পর গত বুধবার ফ্রান্সে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সব ফ্রন্টে লড়াই স্থগিতের ঐতিহাসিক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। পাকিস্তানের পাশাপাশি কাতার এই চুক্তিতে মূল মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করে। পাকিস্তান তুরস্ক, সৌদি আরব ও মিশরকে নিয়ে একটি কূটনৈতিক ফ্রন্ট গঠন করলেও কাতার তার অনন্য সম্পর্ক ও যোগাযোগের মাধ্যমে দুই পক্ষের মধ্যে কার্যকর সংযোগ স্থাপন করে।
গত সপ্তাহে কাতারি প্রতিনিধিদল দুইবার তেহরান সফর করে এবং টানা ১৭ ঘণ্টার আলোচনার পর চুক্তিটি চূড়ান্ত হয়। ইরানি হামলায় এলএনজি রপ্তানি সক্ষমতার ১৭ শতাংশ ধ্বংস হওয়ার পর মার্চে কাতার মধ্যস্থতা থেকে সরে দাঁড়ায়। তবে এপ্রিলের যুদ্ধবিরতি ভেঙে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিলে মে মাসের শেষ দিকে কাতার আবারও আলোচনায় ফিরে আসে এবং দুই পক্ষের মধ্যে শাটল ডিপ্লোম্যাসি শুরু করে।
অর্থনৈতিক ক্ষতি সত্ত্বেও কাতারের কূটনীতিতে প্রত্যাবর্তন তাদের বাস্তববাদী অবস্থানকে তুলে ধরে। এটি প্রমাণ করে যে, ছোট রাষ্ট্র হিসেবে কাতারের শক্তি সামরিক নয়, বরং কূটনৈতিক উদ্যোগেই নিহিত।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।