যৌন হয়রানির অভিযোগ আমলে না নেওয়া বা দায়িত্ব পালনে গাফিলতি করলে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন, ইউজিসি। বৃহস্পতিবার আগারগাঁওয়ে ইউজিসি ভবনে ইউজিসি ও ইউএন উইমেনের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ এ কথা বলেন। তিনি নারী শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নিরাপদ ও সহায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, শুধু যৌন হয়রানি প্রতিরোধ কমিটি গঠন যথেষ্ট নয়; কমিটিকে কার্যকরভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী সব সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও কয়েকটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে কমিটি গঠিত হলেও ইউজিসির পর্যবেক্ষণে অনেক কমিটির কাজ প্রত্যাশামাফিক নয়। প্রতিটি অভিযোগ দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় সমাধান নিশ্চিত করার ওপর তিনি গুরুত্ব দেন।
বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অভিযোগ গ্রহণ, প্রতিকারব্যবস্থা ও প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম সমন্বয় এবং তদারকির জন্য জাতীয় পর্যায়ে একটি কমিটি গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থায়নে প্রকল্পের আওতায় পাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বাড়ানো হবে। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর ২০২৪ সালের জরিপ তুলে ধরে জানানো হয়, ২০ থেকে ২৪ বছর বয়সী ১৬ শতাংশ তরুণী প্রযুক্তিনির্ভর লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতার শিকার হয়েছেন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।