Web Analytics

নেত্রকোণার কেন্দুয়ায় ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফি আইনের মামলায় প্রধান আসামি হওয়ার পর রফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া বকুলকে বিএনপির সব দলীয় পদ এবং প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। বুধবার রাতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কেন্দুয়া পৌর বিএনপির সাবেক সহযুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বকুল পলাতক রয়েছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার রাতে পাঁচজনকে আসামি করে মামলাটি করা হয়। বাদী স্থানীয় একটি স্কুলের দশম শ্রেণির ছাত্রীর বাবা। এজাহার ও ভুক্তভোগীর পরিবারের সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের ২০ নভেম্বর ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ার সময় বকুল তাকে একটি বাড়িতে নিয়ে ধর্ষণ করেন এবং মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করেন বলে অভিযোগ। পরে ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে বিভিন্ন সময়ে তাকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিএনপির প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে দলীয় শৃঙ্খলাবিরোধী ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার কারণে বকুলকে অব্যাহতির কথা বলা হয়েছে। কেন্দুয়া পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। পুলিশ আবু মিয়া নামে এক আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠিয়েছে। ওসি তরিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, প্রধান আসামিসহ অন্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। ১৮ আগস্ট পরীক্ষায় ছাত্রীটি ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা বলে জানা যায়।

Card image

Related Photo Cards

logo
এনিউজটির বিষয়ে যদি আরো ফটোকার্ড পাওয়া যায়, আমরা তা যুক্ত করে দেব।

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।