সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২৫-এ চূড়ান্ত সুপারিশ পেলেও নিয়োগপত্র না পাওয়া কয়েকজন প্রার্থী রোববার প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সামনে অনশন ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। সকাল ১১টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত কর্মসূচির পর পুলিশ তাদের সরিয়ে দেয়। পরে দুই প্রতিনিধি অতিরিক্ত মহাপরিচালক আবদুর রহিমের সঙ্গে দেখা করে ১৩ প্রার্থীর প্রবেশপত্রসহ আবেদনপত্র জমা দেন।
অধিদপ্তর প্রার্থীদের জানিয়েছে, মন্ত্রণালয় থেকে নির্দেশনা এলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শাহবাগে সংবাদ ব্রিফিংয়ে রংপুরের পীরগঞ্জের মো. আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, চূড়ান্ত সুপারিশপ্রাপ্ত কাউকে বাদ না দেওয়ার বক্তব্যের পরও তারা নিয়োগপত্র পাচ্ছেন না। তিনি দাবি করেন, ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি হওয়ায় তাঁর বাবার রাজনৈতিক পরিচিতির কারণে তিনি বাদ পড়ে থাকতে পারেন; তবে তাঁকে কোনো লিখিত কারণ জানানো হয়নি।
প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে ১৪ হাজার ৩৮৪ জনকে চূড়ান্তভাবে সুপারিশ করা হয়েছিল। নিয়োগপত্র প্রকাশের সময় অনেকের নাম না থাকায় আন্দোলন শুরু হলে পর্যায়ক্রমে বড় অংশ নিয়োগপত্র পান। তবু বিভিন্ন জেলায় অল্পসংখ্যক প্রার্থী এখনো বঞ্চিত বলে তথ্য পাওয়া গেছে। নিয়োগপত্র পাওয়া প্রার্থীদের যোগদান শুরু হয়েছে এবং পদায়ন নিয়ে অধিদপ্তর কাজ করছে। বঞ্চিতরা সোমবারের মধ্যে সমাধান না হলে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করবেন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।