পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের পরিবার নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে রাতের অভিযান, জোরপূর্বক আটক ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ তুলেছে। ২৭ সেপ্টেম্বর পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের ইসলামাবাদমুখী দেশব্যাপী কর্মসূচির কয়েক দিন আগে এ ঘটনা ঘটে। ২০ সেপ্টেম্বর লাহোর থেকে ইমরানের বোন আলিমা খানকে আটক করা হয়। পরিবারের দাবি, ২১ সেপ্টেম্বর রাত প্রায় দেড়টায় প্রায় ২০০ পুলিশ সদস্য তাদের বাড়িতে অভিযান চালান।
পরিবারের বিবৃতি অনুযায়ী, পুলিশ বাড়ির বিভিন্ন কক্ষে তল্লাশি চালায় এবং আলিমার অন্য দুই বোন উজমা খান ও নরিন নিয়াজিকে আটক করতে পাশের বাড়িতে প্রবেশ করে। অভিযানের সময় সিসিটিভি ক্যামেরা ও সরঞ্জাম নষ্ট করা হয় বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। কয়েকজন গৃহকর্মী ও স্বজনকে আটক করা হয় এবং দুই ও সাত বছর বয়সী দুই শিশু আতঙ্কিত হয়ে পড়ে বলে পরিবার জানিয়েছে।
পরিবারের ভাষ্য, রাত ২টা ১০ মিনিটের দিকে আটক ব্যক্তিদের চাবুরজি থানায় নেওয়া হয়। পরে উজমা ও নরিনকে আলাদা করে কারাগারে পাঠানো হয় এবং পরিবার ও আইনজীবীদের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ দেওয়া হয়নি। পিটিআই এটিকে রাজনৈতিক দমন-পীড়ন বলছে। সরকার বলছে, জনশৃঙ্খলা রক্ষায় প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে; লাহোরের ডেপুটি কমিশনার ৩০ দিনের প্রতিরোধমূলক আটকের আদেশ দিয়েছেন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।