২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ১১ শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার নেমে এসেছে ৬২.২৫ শতাংশে, যা গত ১৯ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। সোমবার প্রকাশিত ফলাফলে ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ জন; প্রায় সাত লাখ শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে এক লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন, যা গত পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন।
গতবার পাসের হার ছিল ৬৮.৪৫ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছিল এক লাখ ৩৯ হাজার ৩২ জন। এবার মেয়েদের পাসের হার ৬৬.৬৮ শতাংশ, ছেলেদের ৫৭.৮৬ শতাংশ; জিপিএ-৫-তেও মেয়েরা এগিয়ে। ঢাকা বোর্ডে সর্বোচ্চ ৭৭.৬৩ শতাংশ পাস করেছে, আর মাদরাসা বোর্ডে সর্বনিম্ন ৫৫.৪৯ শতাংশ। মানবিক বিভাগে ৫৯ শতাংশ শিক্ষার্থী ফেল করেছে; অধিকাংশই ইংরেজি ও গণিতে আটকে গেছে।
শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন ফলকে সুন্দর বলে মন্তব্য করে বলেন, শিক্ষার্থীরা যে নম্বর পেয়েছে সেটিই দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন জানান, খাতা শতভাগ নির্মোহভাবে মূল্যায়ন করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা কঠোর নজরদারি, নকল প্রতিরোধ এবং শিক্ষার মানসংক্রান্ত দীর্ঘদিনের দুর্বলতাকে ফলের সঙ্গে যুক্ত করেছেন। ৩০ হাজার ৪০২ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৬৬৯টিতে শতভাগ পাস হলেও ৩১২টিতে সবাই ফেল করেছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।