Web Analytics

বাংলাদেশের তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) খাত গত এক মাসে তীব্র অস্থিরতার মধ্যে পড়েছে। বাজারে সিলিন্ডারের সংকট, বন্ধ এলপিজি পাম্প এবং দ্বিগুণ-তিনগুণ দামে বিক্রির কারণে সাধারণ ভোক্তারা চরম ভোগান্তিতে আছেন। চাহিদা বাড়লেও সরবরাহ কমে যাওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা বা মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতার চেয়ে দীর্ঘদিনের পরিকল্পিত সিদ্ধান্ত ও একটি শক্তিশালী ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের প্রভাবই এই সংকটের মূল কারণ।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ বছরে দেশে এলপিজির চাহিদা ২৫ গুণ বেড়েছে, কিন্তু ২০২৪ সালে ১৬ লাখ ১০ হাজার টন আমদানির পর ২০২৫ সালে তা কমে দাঁড়ায় ১৪ লাখ ৬৮ হাজার টনে। অন্তত আটটি বড় কোম্পানি, যাদের অনেকেই সাবেক ক্ষমতাসীন দলের ঘনিষ্ঠ, গত দেড় বছর ধরে আমদানি কমিয়ে দিয়েছে। ইরান-সম্পর্কিত জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে সরবরাহ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে, ফলে দেশের অধিকাংশ এলপিজি পাম্প বন্ধ রয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, সরকার যদি সরাসরি এলপিজি ব্যবসায় অংশ নেয় এবং যথাযথ মনিটরিং ও অবকাঠামো উন্নয়ন করে, তবে ছয় মাসের মধ্যে বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা সম্ভব।

Card image

Related Photo Cards

logo
এনিউজটির বিষয়ে যদি আরো ফটোকার্ড পাওয়া যায়, আমরা তা যুক্ত করে দেব।

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।