ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয়তাবাদী দল ও তাদের মিত্ররা ২১২টি আসনে জয় পেয়ে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে। এই ফলাফলে দলটির হাতে সংবিধান সংশোধন, রাষ্ট্রব্যবস্থা ও নির্বাচনব্যবস্থায় পরিবর্তনসহ বড় নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা এসেছে। লেখাটি প্রশ্ন তুলেছে, এই বিজয় কি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করবে, নাকি অতীতের মতো ক্ষমতার কেন্দ্রীকরণ ঘটাবে, যেমনটি ২০০১ ও ২০০৮ সালের নির্বাচনের পর দেখা গিয়েছিল।
ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষায় এবার প্রথমবারের মতো সংসদে উচ্চকক্ষ গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা নিম্নকক্ষের বিল যাচাই করে জনস্বার্থবিরোধী আইন প্রতিরোধ করবে। তবে ১০০ আসনের বণ্টন নিয়ে মতবিরোধ দেখা দিয়েছে। অধিকাংশ দল আনুপাতিক বণ্টনে একমত হলেও জাতীয়তাবাদী দল নিম্নকক্ষের আসন অনুযায়ী বণ্টন চায়, যা জুলাই সনদের একটি ধারার মাধ্যমে বাস্তবায়ন সম্ভব হতে পারে। এতে উচ্চকক্ষের ভারসাম্য রক্ষার ভূমিকা দুর্বল হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
লেখাটি সতর্ক করেছে যে, ভঙ্গুর প্রতিষ্ঠান, অর্থনৈতিক সংকট ও ১৭ বছরের দমনমূলক শাসনের পর জনগণের আস্থা পুনর্গঠন এখন সরকারের প্রধান দায়িত্ব। বিজয়ী দলকে ক্ষমতার চেয়ে দায়িত্বকে অগ্রাধিকার দিয়ে অন্তর্ভুক্তিমূলক শাসন নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।