Web Analytics

ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাড়তে থাকা উত্তেজনার মধ্যে হরমুজ প্রণালীর কিছু অংশ সাময়িকভাবে বন্ধ করে সেখানে লাইভ-ফায়ার সামরিক মহড়া চালিয়েছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক শক্তিচালিত বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড উপসাগরে মোতায়েন হচ্ছে, যা ২০০৩ সালের পর অঞ্চলে অন্যতম বৃহৎ মার্কিন সামরিক উপস্থিতি। বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও এক-পঞ্চমাংশ তরল প্রাকৃতিক গ্যাস এই প্রণালী দিয়ে পরিবাহিত হয়। তেহরানের এই পদক্ষেপ ওয়াশিংটনের সম্ভাব্য হামলার হুমকির জবাবে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে সম্ভাব্য বিপর্যয়ের সতর্কবার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

মার্কিন জ্বালানি তথ্য প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিদিন প্রায় ২ কোটি ব্যারেল তেল, যার বার্ষিক মূল্য প্রায় ৫০০ বিলিয়ন ডলার, এই প্রণালী দিয়ে যায়। এর ৮৪ শতাংশ তেল ও ৮৩ শতাংশ এলএনজি এশিয়ার বাজারে যায়। বিশ্লেষকরা আল জাজিরাকে জানিয়েছেন, প্রণালী বন্ধ হলে তেলের দাম দ্রুত বেড়ে যেতে পারে, কারণ ওপেক প্লাসের ৭০ শতাংশ অতিরিক্ত উৎপাদন ক্ষমতা উপসাগরেই রয়েছে। সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিকল্প রুট সীমিত, আর চীন, ভারত, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া এই সরবরাহের ওপর গভীরভাবে নির্ভরশীল।

বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘমেয়াদি বিঘ্ন বৈশ্বিক মুদ্রাস্ফীতি বাড়াতে পারে, উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি করবে এবং উপসাগরীয় বিনিয়োগ ও উন্নয়ন প্রকল্পে অনিশ্চয়তা তৈরি করবে।

Card image

Related Photo Cards

logo
এনিউজটির বিষয়ে যদি আরো ফটোকার্ড পাওয়া যায়, আমরা তা যুক্ত করে দেব।

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।