নয়াদিল্লিতে তরুণ বিক্ষোভকারীরা মুখোশ, মেকআপ, অফলাইন মানচিত্র ও আকস্মিক সমাবেশের মাধ্যমে পুলিশি নজরদারি এড়িয়ে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে বিতর্কের প্রেক্ষাপটে তারা নির্বাচন কমিশনের প্রধান জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবি করছেন। গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় বিপুল পুলিশ ও নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন এবং জন্তর মন্তরে প্রবেশে বাধার পর আন্দোলনকারীরা বিকল্প স্থানে কর্মসূচি নিচ্ছেন।
বিরোধীদের অভিযোগ, ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার প্রক্রিয়া ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টিকে সুবিধা দিতে পারে। মুসলিমসহ সংখ্যালঘু ভোটাররা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তবে নির্বাচন কমিশন ও বিজেপি অভিযোগ অস্বীকার করেছে। নির্বাচন কর্তৃপক্ষ বলেছে, মৃত, স্থানান্তরিত ও শনাক্ত করা যায়নি এমন ভোটারদের তথ্য যাচাইয়ের অংশ হিসেবেই তালিকা সংশোধন করা হয়েছে।
৩৬ বছর বয়সি কনটেন্ট নির্মাতা মেঘনাদ এসের নেতৃত্বে প্রায় ১৭০ জনের স্বেচ্ছাসেবী দল পুলিশি যানবাহন অনুসরণ করে আটক ব্যক্তিদের অবস্থান জানার চেষ্টা করছে। স্মার্টফোনে পাওয়া তথ্য ডিজিটাল ড্যাশবোর্ডে যুক্ত করে হোয়াটসঅ্যাপে চালকদের পাঠানো হয়। ব্যাটম্যানের মুখোশ ব্যবহার এবং মুখ শনাক্তকরণ এড়াতে মেকআপের পরামর্শও আলোচনায় এসেছে। গত সপ্তাহান্তের ব্যাপক ধরপাকড়ের পরও আন্দোলনকারীরা প্রতিবাদ চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।