২০২৬ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি বিদায়ী ভাষণে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস জানান, তার সরকার প্রায় ৬০০টি নির্বাহী আদেশ জারি ও ১৩০টি নতুন আইন ও সংশোধনী প্রণয়ন করেছে, যার মধ্যে প্রায় ৮৪ শতাংশ ইতোমধ্যে বাস্তবায়িত হয়েছে। তিনি বলেন, এসব সংস্কারের মাধ্যমে নাগরিক অধিকার সংহত হয়েছে, বিচারব্যবস্থা শক্তিশালী হয়েছে এবং গুম, খুন ও বিচারবহির্ভূত হত্যার সংস্কৃতি রোধে ভিত্তি তৈরি হয়েছে।
ইউনূস জানান, মানবতাবিরোধী অপরাধ, দুর্নীতি ও অনিয়মের বিচার প্রক্রিয়াকে রাজনীতি ও প্রতিশোধের ঊর্ধ্বে রাখা হয়েছে। প্রশাসনিক, বাণিজ্যিক ও আর্থিক সংস্কারের মাধ্যমে ভবিষ্যতে কোনো সরকার যেন জনগণের ইচ্ছার বিরুদ্ধে না যায়, তা নিশ্চিত করা হয়েছে। তিনি বলেন, অবাধ, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের মাধ্যমে জনগণ তাদের ভোটাধিকার ফিরে পেয়েছে। তিনি তরুণ আন্দোলনকারী, রাজনৈতিক দল, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সরকারি কর্মকর্তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, জনবান্ধব পুলিশ গঠনে পুলিশ কমিশন অধ্যাদেশ ২০২৫ প্রণয়ন ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা জোরদারে কাঠামোগত সংস্কার আনা হয়েছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন সংশোধন ও জাতীয় মানবাধিকার কমিশন পুনর্গঠন করে মানবাধিকার সুরক্ষার ভিত্তি মজবুত করা হয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।