রাজধানীর উত্তরা দিয়াবাড়ি কোরবানির পশুর হাটে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা খামারি ও ব্যবসায়ীরা অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজির অভিযোগ করেছেন। তাদের দাবি, পছন্দমতো জায়গা, কাদা থেকে বাঁচতে বালু কেনা এবং পশু পরিবহনের ট্রাক-পিকআপের স্টিকার বাবদ টাকা দিতে হয়েছে। গভীর রাতে মাইকিং করে গরুপ্রতি এক হাজার টাকা করে আদায়ের ঘটনাও ঘটেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ইজারাদার প্রতিষ্ঠান এসএফ করপোরেশনের স্বত্বাধিকারী শেখ ফরিদ হোসেন এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তার হাটে কোনো চাঁদাবাজি হয়নি এবং মিথ্যা অভিযোগকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যরা ‘শেড খরচ’ বা ‘বকশিশ’ নামে টাকা নিচ্ছেন। ট্রাক ও পিকআপ চালকদের কাছ থেকেও পাঁচ থেকে দশ হাজার টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয়েছে। খামারিরা জানিয়েছেন, কাদাপানির কারণে গরু অসুস্থ হয়ে পড়ায় লোকসানের পাশাপাশি চাঁদা দিতে বাধ্য হয়েছেন।
ঈদের তিনদিন পরও হাটের বর্জ্য অপসারণ না হওয়ায় দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন স্থানীয়রা। ডিএনসিসি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ইজারাদার প্রতিষ্ঠান বাঁশ-খুঁটি না সরানোয় পরিষ্কার কাজে বিলম্ব হচ্ছে। এলাকাবাসী দ্রুত ময়লা অপসারণ ও জীবাণুনাশক ছিটানোর দাবি জানিয়েছেন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।