Web Analytics

ভূতত্ত্ববিদ ও হিমবাহ বিশেষজ্ঞরা প্রাথমিকভাবে মনে করছেন, বুধবার নেপালের ভয়াবহ আকস্মিক বন্যার পেছনে হিমবাহের বিশাল অংশ ভেঙে পড়া গুরুত্বপূর্ণ কারণ ছিল। স্যাটেলাইট বিশ্লেষণে দেখা গেছে, প্রায় ১৭ হাজার ফুট উচ্চতায় থাকা হিমবাহের প্রায় ২ হাজার ফুট প্রশস্ত অংশ ভেঙে প্রায় ৪ হাজার ফুট নিচের উপত্যকায় পড়ে। ঘটনাটি কাঠমান্ডু থেকে প্রায় ৪০ মাইল উত্তরে ঘটে এবং বরফ-পানির স্রোত নেপাল-চীন সীমান্তের ভোতে কোশি নদীর দিকে যায়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, উঁচুতে জমা বরফের বিপুল শক্তি ধসের সময় বরফকে গুঁড়িয়ে দ্রুতগতির বরফ, পানি ও পাথরের বিপজ্জনক মিশ্রণে পরিণত করে। স্থানীয় সময় সকাল প্রায় ৮টা ৪০ মিনিটে বিপুল বস্তু নিচে সরে যাওয়ার ভূকম্পন সংকেত পাওয়া যায়, পরে বন্যার প্রবাহের সংকেত মেলে। ইউএসজিএস প্রথমে ৪ দশমিক ৪ মাত্রার ভূমিকম্প শনাক্ত করলেও পরে জানায়, এটি ভূমিকম্প নয়; ধসের কম্পনকে তারা ৫ দশমিক ২ মাত্রার ভূকম্পনসম শক্তি হিসেবে উল্লেখ করেছে।

বিজ্ঞানীরা এখনো সুনির্দিষ্ট কারণ নিশ্চিত করেননি, কারণ ভিডিওতে দেখা পানির পরিমাণ অন্য কোনো কারণের সম্ভাবনাও তুলে ধরছে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব উড়িয়ে দেওয়া হয়নি, তবে সরাসরি সম্পর্ক প্রমাণিত নয়। নেপাল ও চীনের তিব্বত অঞ্চলে শত শত মানুষ নিখোঁজ; দুর্গম এলাকা ও ধ্বংসস্তূপ উদ্ধারকাজকে জটিল করছে।

Card image

Related Photo Cards

logo
এনিউজটির বিষয়ে যদি আরো ফটোকার্ড পাওয়া যায়, আমরা তা যুক্ত করে দেব।

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।