যুক্তরাজ্যের অন্তত ১২টি শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়, যার মধ্যে অক্সফোর্ড, ইম্পেরিয়াল কলেজ লন্ডন ও লন্ডন স্কুল অফ ইকোনমিকস রয়েছে, তাদের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের ওপর নজরদারির জন্য সাবেক সামরিক গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের পরিচালিত একটি বেসরকারি সংস্থা নিয়োগ করেছে। আল-জাজিরা ইংলিশ ও লিবার্টি ইনভেস্টিগেটসের যৌথ অনুসন্ধানে জানা গেছে, ফিলিস্তিনের প্রতি সংহতি প্রকাশকারীদের লক্ষ্য করেই এই নজরদারি চালানো হয়। ‘হোরাস সিকিউরিটি কনসালটেন্সি লিমিটেড’ নামের সংস্থাটি ২০২২ সাল থেকে প্রায় ৪ লাখ ৪০ হাজার পাউন্ড পেয়েছে এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পর্যবেক্ষণ ও গোপন সন্ত্রাসবিরোধী মূল্যায়ন পরিচালনা করেছে।
তদন্তে দেখা গেছে, ম্যানচেস্টার মেট্রোপলিটন বিশ্ববিদ্যালয় ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত শিক্ষাবিদ রাবাব ইব্রাহিম আবদুল হাদির ওপর গোপন মূল্যায়ন চালায় এবং ব্রিস্টল বিশ্ববিদ্যালয় ফিলিস্তিনপন্থী ও প্রাণি অধিকার কর্মীদের তালিকা দিয়ে নজরদারির অনুরোধ করে। জাতিসংঘের বিশেষ দূত জিনা রোমেরো একে আইনি উদ্বেগের বিষয় বলে উল্লেখ করেন এবং ইউসিইউ ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক জো গ্রেডি একে লজ্জাজনক বলেন।
ইম্পেরিয়াল কলেজ ও শেফিল্ড বিশ্ববিদ্যালয় নজরদারির অভিযোগ অস্বীকার করে জানায়, তারা কেবল নিরাপত্তা ঝুঁকি এড়াতে প্রকাশ্য তথ্য বিশ্লেষণ করেছে। ২০০৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হোরাস সংস্থার নেতৃত্বে রয়েছেন সাবেক সামরিক গোয়েন্দা কর্মকর্তারা, যাদের একজন কর্নেল টিম কলিন্স পূর্বে ফিলিস্তিনপন্থী বিক্ষোভের সমালোচনা করেছিলেন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।