বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) স্পেকট্রাম বিভাগের এক উপপরিচালক আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ সাক্ষ্য দিয়ে জানান, ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই সারাদেশে ইন্টারনেট বন্ধের নির্দেশ দেন তৎকালীন তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক। আদালতের নির্দেশে সাক্ষীর নাম গোপন রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, তৎকালীন বিটিআরসি মহাপরিচালক কাজী মোস্তাফিজুর রহমান তাকে জানান যে পলক বিটিআরসি চেয়ারম্যানকে আন্তর্জাতিক টেরিস্ট্রিয়াল ক্যাবল অপারেটরদের আপস্ট্রিম সংযোগ বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন। এরপর ‘১৮ জুলাই আইসিটি অপারেশন’ নামে একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ খুলে অপারেটরদের সঙ্গে সমন্বয় করা হয়।
সাক্ষীর বক্তব্য অনুযায়ী, ১৮ জুলাই রাত ৯টা থেকে ২৩ জুলাই বিকেল পর্যন্ত ইন্টারনেট সম্পূর্ণ বন্ধ ছিল। পরে পলক আইআইজি ও মিডিয়া প্রতিনিধিদের নিয়ে এক সভায় ব্যাংক, সংসদ ভবন ও ক্যান্টনমেন্টসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সীমিতভাবে ইন্টারনেট চালুর নির্দেশ দেন, তবে ফেসবুক, ইউটিউব ও টিকটক বন্ধ রাখার কথা বলেন। ৩১ জুলাই তিনি বিটিআরসি চেয়ারম্যানের মাধ্যমে ইন্টারনেট সম্পূর্ণরূপে চালুর নির্দেশ দেন।
এই জবানবন্দি শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় ও জুনায়েদ আহমেদ পলকের বিরুদ্ধে মামলার চতুর্থ সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করা হয়।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।