নির্বাচনে পরাজয়ের পর ডানপন্থি নেতা ফ্লাভিও বলসোনারো আর্জেন্টিনা হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার ঘটনায় ব্রাজিল বৃহস্পতিবার আর্জেন্টিনার চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স মারিয়া এমিলিয়া কোর্তেসকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ডেকে পাঠায়। তবে আর্জেন্টিনার পররাষ্ট্রমন্ত্রী পাবলো কিরনো কোনো আনুষ্ঠানিক তলবের কথা অস্বীকার করেছেন। মঙ্গলবার রাতে আর্জেন্টিনায় যাওয়ার পর বলসোনারো ইকুয়েডর হয়ে বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের মিয়ামিতে পৌঁছান; সঙ্গে ছিলেন তার স্ত্রী ও দুই মেয়ে।
অর্থপাচারের অভিযোগে চলমান তদন্তের অংশ হিসেবে বলসোনারোকে পাসপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। ব্যাংকো মাস্টার কেলেঙ্কারিতে জড়িত থাকার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। তদন্তকারীদের ভাষ্য, ব্যাংকটির সাবেক প্রধান ড্যানিয়েল ভোরকারোর কাছ থেকে পাওয়া কয়েক মিলিয়ন ডলার দিয়ে সাবেক প্রেসিডেন্ট জইর বলসোনারোকে নিয়ে চলচ্চিত্র তৈরির পরিকল্পনা ছিল। ফ্লাভিও বলসোনারো সব অভিযোগ অস্বীকার করে মামলাটিকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলেছেন।
প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা ৫১ দশমিক ৮ শতাংশ ভোট পেয়ে জয়ী হন এবং বলসোনারো ৪০ লাখের বেশি ভোটের ব্যবধানে হারেন। বলসোনারো আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেইকে সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানান। মিলেইয়ের এক মুখপাত্র ঘটনাটিকে উদ্ধার অভিযান বলেছেন। ২০২৩ সাল থেকে লুলা ও মিলেইয়ের সম্পর্ক টানাপোড়েনের মধ্যে রয়েছে; গত আগস্টে উভয় দেশ রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহার করেছিল।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।