Web Analytics

ভারতে হতাশ হয়ে চাকরি খোঁজা ছেড়ে দেওয়া তরুণের সংখ্যা ২০১২ সালের পাঁচ কোটি থেকে বেড়ে ১০ কোটিতে দাঁড়িয়েছে বলে জানিয়েছেন ডেভেলপমেন্ট ইকনমিস্ট সন্তোষ মেহরোত্রা। ১৭ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত প্রতিবেদনে সরকারি চাকরির পরীক্ষায় অনিয়মবিরোধী রাঁচির চলমান বিক্ষোভ এবং দিল্লিতে নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিরুদ্ধে জেন-জি বিক্ষোভের প্রসঙ্গ তুলে যুব বেকারত্বের সংকটের চিত্র দেওয়া হয়েছে।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ভারতের প্রায় ১০০ কোটি কর্মক্ষম মানুষের মধ্যে ৬৭ কোটির কর্মসংস্থান রয়েছে এবং বেকারদের ৮০ শতাংশই যুবক। আজিম প্রেমজি বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘স্টেট অব ওয়ার্কিং ইন্ডিয়া ২০২৬’ অনুযায়ী, স্নাতক তরুণ-তরুণীদের বেকারত্ব ৪০ শতাংশ পর্যন্ত, আর জেন-জি প্রজন্মে ১৫ থেকে ২৫ শতাংশ। রথীন রায় বলেন, উচ্চশিক্ষা আর ভালো চাকরির নিশ্চয়তা দিচ্ছে না; তথ্যপ্রযুক্তিতে এআইয়ের প্রভাব এবং উৎপাদনে কম মজুরি তরুণদের সংকট বাড়াচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, জিডিপি বাড়লেও অনুপাতে চাকরি তৈরি হচ্ছে না, যা কর্মসংস্থানহীন প্রবৃদ্ধির লক্ষণ। ২০১৪-১৫ সালে জিডিপিতে উৎপাদন খাতের অবদান প্রায় ১৭ শতাংশ থাকলেও ২০২৪ সালে তা ১২ শতাংশে নেমেছে। মেহরোত্রার হিসাবে, কৃষির বাইরে বছরে প্রায় এক কোটি ২৫ লাখ চাকরি প্রয়োজন হলেও বাস্তবে তার অর্ধেক তৈরি হচ্ছে। গত এক দশকে প্রশিক্ষণ পাওয়া এক কোটি ৬০ লাখ মানুষের মাত্র ১৫ শতাংশ কাজ পেয়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

Card image

Related Photo Cards

logo
এনিউজটির বিষয়ে যদি আরো ফটোকার্ড পাওয়া যায়, আমরা তা যুক্ত করে দেব।

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।