রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, যখন ৩০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত মাদক কারবারি আবুল কালাম আজাদকে তার স্ত্রীসহ থানার ওসির কক্ষে অপেক্ষা করতে দেখা যায়। ঘটনাটি চলতি জুলাই মাসের প্রথম সপ্তাহে ঘটে বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে। এই ছবি ও তথ্য প্রকাশের পর স্থানীয়দের মধ্যে সমালোচনা শুরু হয় এবং মাদকবিরোধী অভিযানের কার্যকারিতা নিয়ে সন্দেহ দেখা দেয়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সাম্প্রতিক মাদকবিরোধী সভা ও কমিউনিটি পুলিশিং কর্মসূচি সত্ত্বেও মাঠ পর্যায়ে অভিযান দুর্বল হয়ে পড়েছে। কিছু চিহ্নিত মাদক কারবারি পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে। থানার দুই এসআইয়ের বিরুদ্ধে তথ্য ফাঁসের অভিযোগ থাকলেও তারা তা অস্বীকার করেছেন।
গোদাগাড়ী নাগরিক স্বার্থ-সংরক্ষণ কমিটির সভাপতি স্বচ্ছ তদন্ত ও জবাবদিহির দাবি জানিয়েছেন। স্থানীয়রা আবুল কালাম আজাদের বিপুল সম্পদের উৎস নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। থানার ওসি আতিকুর রহমান অভিযোগ অস্বীকার করে সিসিটিভি ফুটেজ যাচাইয়ের আহ্বান জানিয়েছেন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।