বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৪ সালের ৪ আগস্টের একটি গোপন বৈঠকে অংশ নেওয়া আওয়ামীপন্থি শিক্ষকদের বিরুদ্ধে এখনো দৃশ্যমান শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, ওই বৈঠকে শেখ হাসিনা সরকারের পক্ষে অবস্থান, শিক্ষার্থীদের এক দফা আন্দোলনের বিরোধিতা এবং আন্দোলনকারীদের প্রতিহত করার আহ্বান জানানো হয়েছিল। দুই বছর পরও বৈঠকে অংশ নেওয়া অনেক শিক্ষক ডিন, বিভাগীয় চেয়ারম্যান ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ একাডেমিক-প্রশাসনিক পদে দায়িত্বে আছেন।
২০২৫ সালের ১৯ এপ্রিল প্রকাশিত বৈঠকের ভিডিওতে অন্তত ১৩ জন শিক্ষককে সরকারের পক্ষে বক্তব্য দিতে দেখা যায় বলে বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রের দাবি। ভিডিও প্রকাশের পর শিক্ষার্থীরা বিচার দাবিতে আন্দোলন করলেও আগের দুই প্রশাসন কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। সাবেক উপাচার্যদের আমলে তদন্ত কমিটি গঠনের আলোচনা হলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি; প্রশাসন অসহযোগিতাকে কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছিল। আন্দোলনপন্থি শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং কয়েকটি ছাত্রসংগঠনের নেতারা নিরপেক্ষ তদন্ত ও দায় অনুযায়ী শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
২০২৬ সালের ১৪ মে দায়িত্ব নেওয়া উপাচার্য অধ্যাপক ড. মামুন অর রশীদ বলেছেন, সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ড. আব্দুল আলিম বছির জানান, কোনো অপরাধ বিচারহীন থাকবে না। প্রক্টর ড. মেহেদী হাসান সোহাগ বলেন, বিষয়টি আগামী সিন্ডিকেট সভায় উপস্থাপন করে জুডিশিয়াল তদন্ত কমিটি গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।